শনিবার,১৯শে আগস্ট, ২০১৭ ইং,৪ঠা ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সময়: দুপুর ১:৩০

সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে গ্যালাক্সি এস৮ পর্নোগ্রাফি ও শিল্পের মধ্যে পার্থক্য করতে ব্যর্থ ফেবু ‘রোবট’ ওজন কমাতে চাইলে এই ৫ খাবারকে ‘না’ বলুন ডাবের পানির উপকারিতা শিশুর সামনে ঝগড়া নয় আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি মানুষকে কাছে এনেছে : অধ্যাপক আবদুল মান্নান গরু আমদানী বন্ধের দাবি মাংস ব্যবসায়ী সমিতির

উকুন চিরতরে দূর করার ৭ উপায়

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: চুলের যন্ত্রণাদায়ক একটি সমস্যা হলো উকুন। বড়দের চুলের পাশাপাশি বাচ্চাদের চুলেও উকুন দেখা যায়। বরং বড়দের তুলনায় ছোটদের মাথায় বেশি উকুন হতে দেখা যায়।

উকুন একটি পরজীবী প্রাণী যা মানুষের মাথার ত্বকে  বসবাস করে। সাধারণত মাথা  অপরিষ্কার থাকলে, ভেজা চুল বাঁধার কারণে, ভেজা  চুল  অনেকক্ষণ  বাঁধা  থাকলে, অন্যের  চিরুনি,  টাওয়েল,  গামছা  ব্যবহার  করলে ইত্যাদি কারণে  চুলে উকুন হতে পারে। এই বিরক্তিকর সমস্যা ঘরোয়া কিছু উপায়ে দূর করা সম্ভব।
ভিনেগার : ভিনেগার দিয়ে খুব সহজে উকুন দূর করা সম্ভব। এতে এসিটিক এসিড আছে, যা উকুন দূর করতে সাহায্য করে। ভিনেগার আর পানি একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এরপর এতে চুল ভিজিয়ে নিন। ১০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করুন।
মেয়নিজ : মজাদার মেয়নিজ দিয়েও উকুন দূর করে সম্ভব! মাথার তালুতে মেয়নজ লাগিয়ে নিন। এবার একটি শাওয়ার কাপ বা প্ল্যাস্টিক দিয়ে চুল পেঁচিয়ে রাখুন। এভাবে ৬ ঘণ্টা রাখুন। তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। মেয়নিজের গন্ধে উকুন দম বন্ধ হয়ে দ্রুত মারা যায়।
নারিকেল তেল : উকুন দূর করার ক্ষেত্রে নারকেল তেলও বেশ কার্যকর। নারিকেন তেল উকুনদের শ্বাসরোধ করে দেয় ফলে উকুনরা বেশিক্ষণ থাকতে পারে না। ৩ টেবিল চামচ নারকেল তেল এবং খুব সামান্য কর্পূর মিশিয়ে নিন। তেলটি মাথায় ভাল করে ম্যাসাজ করুন। এরপর শাওয়ার কাপ দিয়ে মাথা ঢেকে দিন। পরের দিন সকালে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। শুকিয়ে গেলে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ান। এটি সপ্তাহে ৩ থেকে ৫ দিন করুন। দেখবেন উকুন গায়েব হয়ে গেছে।
লেবুর রস : লেবুর রস উকুন দূর করতে বহুল ব্যবহৃত একটি উপায়। লেবুর রস মাথায় ভালো করে লাগিয়ে নিন। ৩-৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। প্রথমে ভিনেগার দিয়ে এবং পরে কুসুম গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন। উকুন আপনার মাথা থেকে দূর হয়ে যাবে। লেবুর রসের সঙ্গে আদার পেস্টও মিশিয়ে নিতে পারেন। এটি মাথায় ভাল করে ম্যাসাজ করুন। একটি তোয়ালে দিয়ে মাথা পেঁচিয়ে রাখুন। এরপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে ২/৩ বার করুন। যদি উকুনের সমস্যা অনেক বেশি থাকে তবে এটি সপ্তাহে ৫ বার করুন।
নিম : উকুন দূর করতে নিম একটি প্রাকৃতিক প্রতিষোধক। মাথার তালুর চুলকানি কমানোর সাথে সাথে এটি মাথার ত্বক ময়েশ্চরাইজ করে থাকে। নিমের পেস্ট তৈরি করে এটি মাতার তালুতে ম্যাসাজ করুন। এটি সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন। এ ছাড়া নিমের তেল মাথায় ব্যবহার করতে পারেন। এক ঘণ্টা রেখে চুল শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটি সপ্তাহে তিনবার করুন।
টি ট্রি অয়েল : শ্যাম্পু করার সময় শ্যাম্পুর সাথে তিন থেকে পাঁচ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি দিয়ে চুল শ্যাম্পু করে ফেলুন। চুলে শুকিয়ে গেলে একটি চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়িয়ে নিন। দেখবেন চিরুনিতে উকুন চলে আসছে। এটি কমপক্ষে দুই মাস ব্যবহার করুন। তবে টি ট্রি অয়েল ব্যবহারে সাবধানতা অবলম্বন করবেন, এটি অনেক বেশ শক্তিশালী।
পেঁয়াজ : পেঁয়াজের রসে সালফার যা উকুন দূর করতে সাহায্য করবে। ৪-৫টা পেঁয়াজের রস করে নিন। এরপর তা মাথায় ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। ২ ঘণ্টা পর কুসুম গরম পানি দিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন। চুল শুকানোর পর চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ান, দেখবেন উকুন সব চিরুনিতে চলে এসেছে।
আপনার মতামত লিখুন

লাইফস্টাইল বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ