শুক্রবার,২৫শে মে, ২০১৮ ইং,১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ৯:০০
ট্রাককে পেছন থেকে আরেক ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২ নায়ক হিসেবে আরিফিন শুভকে এগিয়ে রেখেছেন পূর্ণিমা ফকিরহাটে মুক্তিযোদ্ধা নুরমোহম্মদ এর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন একাধিক পদে নিয়োগ দেবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর নিয়োগ দেবে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন ওয়ালশকে পেয়েই মুশফিকের লাফ গোপালগঞ্জে বিশেষ অভিযানে ৮ মাদক ব্যবসায়ীসহ গ্রেপ্তার ৩২

ইব্রার দেশের গলফার জিতলেন শিরোপা

2 weeks ago , বিভাগ : খেলাধুলা,

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক:  ওয়েলস আর গ্যারেথ বেলকে যেমন আলাদা করা যায় না, তেমনি সুইডেন মানেই যেন জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ। এই ফুটবল তারকাই গত দেড় দশকে চারবার জিতেছেন সুইডেনের বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার। অবশ্য তার আগে লোকে সুইডেনকে চিনত বিয়ন বোর্গের দেশ হিসেবে, টেনিস র‌্যাকেট হাতে কম কীর্তি গড়েননি তিনি। গলফটাও সুইডেনে অচেনা নয়, গত ৯ বছরে তিনবার সুইডেনের বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার পেয়েছেন কোনো একজন গলফার। সুইডেনের গলফার ম্যালকম কোকোচিনস্কিই জিতলেন বাংলাদেশ ওপেনের চতুর্থ আসর।

ইব্রা আর কোকোচিনস্কি, দুজনেরই জম্ম একই শহরে। মালমো, যে শহরের ক্লাবের হয়েই খেলা শুরু ইব্রাহিমোভিচের। বেড়ে ওঠার গল্পটা জানা গেল তাঁর কাছ থেকেই, ‘ফুটবলসহ অন্য অনেক খেলা ভালোবাসলেও গলফে ভালো এমন একটা স্কুলে পড়ার বৃত্তি সুবিধা পেয়ে যাই। তিনজন ছেলে ও তিনজন মেয়েকে প্রতিবছর দেওয়া হয় এই বৃত্তি। এরপর গলফের বৃত্তি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কলেজে পড়তে আসি, কলেজ গলফ লিগে খেলতে শুরু করি।’ ইব্রার শহরের বাসিন্দা হলেও তাঁর প্রিয় ফুটবলার কিন্তু ইব্রা নন, ‘হেনরিক লারসেন আমার ফেভারিট।’  তাঁর স্বপ্ন, ‘আমি অবশ্যই ইউরোপিয়ান ট্যুর, পিজিএর মতো আসরে খেলতে চাই। এশিয়ান ট্যুরকে দেখছি সেই স্বপ্নপূরণের প্রথম ধাপ হিসেবে।’

অনেক দিন ধরেই খেলছেন এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ট্যুরে, আস্তে আস্তে নিজেকে তুলে এনেছেন শীর্ষ স্তরে। এডিটির অর্ডার অব মেরিটে শীর্ষে থাকা ম্যালকম এই বছর কুর্মিটোলায় বেশ সফল। জানুয়ারিতে ঢাকা ওপেনে হয়েছিলেন রানার-আপ, দুই সপ্তাহ আগে বিটিআই ওপেনে হয়েছিলেন তৃতীয় আর সবচেয়ে বড় আসরটিতে অর্থাৎ বাংলাদেশ ওপেনে শেষ করলেন সবার ওপরে থেকে। অথচ প্রথমবার বাংলাদেশ ওপেনে অংশ নিয়ে কাটই পাননি ম্যালকম, পরের বার হয়েছিলেন ১৪তম।

বাংলাদেশ তাঁর কাছে অচেনা নয়, ক্যাডি ও বলবয় যাঁরা আছেন তাঁদের কাছেও চেনা এই ভিনদেশি যুবক। ট্রফিটা হাতে সংবাদ সম্মেলনকক্ষে আসা, যাওয়া, গাড়িতে ওঠা…সবখানেই সেলফি-শিকারিদের ভিড়। ম্যালকম অবশ্য মিটিয়েছেন সব আবদারই। মাত্র তিন বছর আগেও যে এখানে এসে থেকে গেছেন অন্তরালে, সেই স্মৃতিটাই হয়তো মনে পড়ছিল তাঁর! কোকোচিনস্কি বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার সময় দেখা জামালের সঙ্গে। সুইডিশ গলফারের হাতে শিরোপা, জামালের হাতে আসরে সেরা বাংলাদেশি গলফারের সান্ত্বনা পুরস্কার। অথচ দুই সপ্তাহ আগের টুর্নামেন্টেই জামালের ঠিক পেছনে শেষ করেছিলেন কোকোচিনস্কি।

পরিশ্রম আর প্রচেষ্টার যোগফলে প্রথম আসরে কাট না পাওয়া গলফারই শিরোপা নিয়ে যান চতুর্থ আসরে। তাঁদের শুধু দেখেই যান বাংলাদেশের গলফাররা।

সূত্র: কালের কন্ঠ

আপনার মতামত লিখুন

খেলাধুলা বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ