বুধবার,১৮ই জুলাই, ২০১৮ ইং,৩রা শ্রাবণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সময়: বিকাল ৪:৫৭
এইচএসসির ফল জানার সহজ সমাধান ‘যেখানে পরিত্যক্ত জায়গা সেখানেই লাগাতে হবে গাছ’ দিনাজপুরে ৬ষ্ঠ জেলা কাব ক্যাম্পূরী-২০১৮ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষা বোর্ডের সচিব স্কাউট শিক্ষাই হচ্ছে পরিচ্ছন্ন জীবন হাবিপ্রবিতে জাতীয় বৃরোপন কর্মসূচি-২০১৮ পালিত ৩০ লক্ষ শহীদের স্বরনে দিনাজপুরে ৭৮ হাজার গাছের চারা বিতরণ ও রোপন কর্মসূচী সম্পন্ন কাল এইচএসসির ফল পার্বতীপুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন

আবারো ট্রাম্পের সমালোচনায় মুখর মালালা

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: আবারও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনা করলেন নোবেলজয়ী কিশোরী মালালা ইউসুফজাই। অবৈধ অভিবাসী রুখতে ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির সমালোচনায় মালালা বলেন, ট্রাম্পের এই নীতি নিষ্ঠুর,অমানবিক ও অন্যায্য। চলতি বছরের শুরুতেও একবার ট্রাম্পের নারীবিদ্বেষী অবস্থানের সমালোচনা করেছিলেন মালালা।

ট্রাম্প প্রশাসনের ওই নীতির কারণে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে ৩ হাজারেও বেশি শিশু। মালালা ট্রাম্পের এই নীতির সমালোচনা করে বলেন, ‘এটা নিষ্ঠুর, এটা অন্যায্য, এটা একেবারেই অমানবিক। আমার মাথাতেই আসে না কী করে একজন মানুষ এমন করতে পারে’। মালালা আশা প্রকাশ করেন, বাচ্চারা শিগগির তাদের মা-বাবার সঙ্গে একত্রিত হবে।

কিশোর বয়স থেকেই নারী শিক্ষা ও অধিকার আদায়ে লড়ে যাচ্ছেন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এই তরুণী। তালেবানের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখির ফলেই তার উপর ক্ষিপ্ত হয় জঙ্গিরা। এরপর ২০১২ সালের ৯ অক্টোবর মালালার স্কুল বাসে উঠে মুখোশধারী তালেবান সদস্যরা তাকে গুলি করে। তৎক্ষণাৎ তাকে যুক্তরাজ্যে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। কয়েক মাসের চেষ্টায় তার মাথার খুলি ঠিক করতে সক্ষম হয় ডাক্তাররা।

পরবর্তীতে ২০১৪ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান মালালা। এরপর থেকেই বিশ্বে নারী অধিকার আদায় আন্দোলনের প্রতীক হয়ে উঠেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা অনুমোদনরাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের আইনপ্রণেতারা। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত ভোটে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপ ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচার দলের সঙ্গে রাশিয়ার সংযোগ নিয়ে চলমান তদন্তের মধ্যেই এ নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাবে অনুমোদন দিলেন মার্কিন আইনপ্রণেতারা। একই দিনে সন্ত্রাসে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগে ইরান ও দেশটির বিপ্লবী ইসলামী গার্ড কোর (আইআরজিসি) এবং পরমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাবে অনুমোদন দেন তাঁরা। এর আগে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টি নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে প্রায় সর্বসম্মতিক্রমে এ ধরনের একটি খসড়া প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে নিম্নকক্ষে উত্তর কোরিয়ার বিষয়টি যুক্ত করে খসড়াটির অনুমোদন দেওয়া হয়। নতুন নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাবে অনুমোদনের বিষয়ে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির রিপাবলিকান পার্টির চেয়ারম্যান এড রয়েস বলেন, তিনটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোকে হুমকির মুখে ফেলেছে এবং প্রতিবেশীদের অস্থিতিশীল করে তুলেছে। নতুন নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাবটি কত দ্রুত হোয়াইট হাউসে পৌঁছে ট্রাম্পের অনুমোদন বা ভেটো পাবে, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। কারণ এর আগে প্রস্তাবটি অবশ্যই সিনেটে পাস হতে হবে। নতুন এই নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাবের বিষয়ে রুশ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের প্রভাবশালী সদস্য কনস্টান্টিন কসাচিওভ বুধবার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের জবাবে মস্কোর উচিত ‘বেদনাদায়ক’ পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া।