শুক্রবার-১৯শে এপ্রিল, ২০১৯ ইং-৬ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সন্ধ্যা ৬:১৫
পঞ্চগড়ে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত বিশ্বকাপে নতুন যে অস্ত্র নিয়ে মাঠে নামবেন মোস্তাফিজ ফের বিয়ের পিঁড়িতে শ্রাবন্তী ? নুসরাত হত্যায় অর্থ লেনদেন, তদন্তে সিআইডি হাত ও মুখের সাহায্যে এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে প্রতিবন্ধী বাবুল ১০ টাকায় টিকিট কেটে চিকিৎসাসেবা নিলেন প্রধানমন্ত্রী ব্রীজটির আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন

আখাউড়া-আগরতলা রেলপথের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন দুপুরে

3 years ago , বিভাগ : জাতীয়,

Agartala_Railway1469943335মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেক্স: বাংলাদেশের আখাউড়া ও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার মধ্যে রেললাইনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হচ্ছে আজ ভারতের সময় দুপর ১২টায় (বাংলাদেশ সময় সাড়ে ১২টা)।

ত্রিপুরায় বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক ও ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভাকর প্রভু যৌথভাবে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।

ভারতের অর্থায়নে এই রেল লাইনটি নির্মিত হবে। এর মাধ্যমে ৬৯ বছর পর আন্তর্জাতিক রুট হিসেবে নির্মাণ হচ্ছে আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ। আগরতলায় ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ওই অনুষ্ঠানে থাকবেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক।

বাংলাদেশ রেলওয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. শরিফুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে আজ রোববার সকাল ৭টায় বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক ত্রিপুরার উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। তার সঙ্গে রয়েছেন রেল-সচিব ফিরোজ সালাহ উদ্দিন, রেলওয়ের মহাপরিচালক আমজাদ হোসেন, রেলমন্ত্রীর পিএস ও এপিএস।

ভিত্তিপ্রস্তরের ওই অনুষ্ঠানে থাকবেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভু ও ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রীংলা।

ভারতের রেল মন্ত্রণালয় থেকে তহবিল পাওয়ার পর এরই মধ্যে আগরতলা-আখাউড়ার মধ্যে রেল যোগাযোগের জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়েছে। ২০১৭ সালের মধ্যে ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ আখাউড়া-আগরতলা রেল পথের কাজ শেষ হবে। এ রেলপথের মাত্র ৫ কিলোমিটার ভারতের ত্রিপুরা অংশে, বাকি ১০ কিলোমিটারই বাংলাদেশে। ভারতীয় রেলপথকে বাংলাদেশের রেলপথের সঙ্গে সংযুক্ত করবে এ আখাউড়া-আগরতরা রেল যোগাযোগ।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়, এতে দুই দেশের মধ্যে, বিশেষ করে ভারতের অবহেলিত উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।

আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ পুরো অংশ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৮০ কোটি রুপি। এর মধ্যে ভারতের ৫ কিলোমিটার অংশের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৮০ কোটি রুপি। বাংলাদেশ অংশের জমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন ও অন্যান্য রাজস্ব খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৭ কোটি ৫ লাখ টাকা। আর ১০ কিলোমিটার মিশ্র গেজ (একই সঙ্গে মিটার ও ব্রডগেজে) রেলপথ নির্মাণে ৪২০ কোটি ৭৬ লাখ টাকা, যা অনুদান হিসেবে দেবে ভারত।

বাংলাদেশের দিকে প্রথম স্টেশন হবে গঙ্গাসাগর। গঙ্গাসাগর থেকে আখাউড়ার মধ্যে বর্তমান স্টেশনের পাশ দিয়ে তৈরি হবে নতুন রেললাইন। আগরতলা রেলওয়ে স্টেশন থেকে বের হয়ে নিশ্চিন্তপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকবে এ রেলপথ।

আপনার মতামত লিখুন

জাতীয় বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ