সোমবার,২৩শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং,৮ই কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ১১:৫৪

চুরিকৃত অর্থ উদ্ধার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে: বাংলাদেশ ব্যাংক ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশ : ডি কক মার্সেইয়ের সঙ্গে পিএসজির ড্র দাদির জন্মদিনে কংগ্রেসের হাল ধরবেন রাহুল গান্ধী! কাতারের সঙ্গে সরাসরি আলাপ চায় না সৌদি : টিলারসন নবজাতকদের অন অ্যারাইভাল ভিসা দিচ্ছে সৌদি আরব ড্রেজার চালকের তাড়া খেয়ে ব্রহ্মপুত্রে ঝাপ, শিশু নিখোঁজ

আওয়ামীলীগ এর আসন্ন সম্মেলন প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা: ——-দেলোয়ার রহমান দীপু, সাবেক পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

received_1349648921726787মেহেরপুর সংবাদদাতা:

বাংলাদেশের স্বাধীনতা পূর্ব সময়ে ১৯৪৭ এর দেশ বিভক্তির পর এক সময়কার পূর্ব বঙ্গ ও তৎকালীন পূর্ব
পাকিস্তান আজকের স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর আম্রকাননে ইংরেজ
বণিকদের ষড়যন্ত্র ও এদেশের স্বার্থান্ধ কিছু বেঈমান দের সহযোগিতায় নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের পর
ভারতীয় উপমহাদেশের আর্থ- সামাজিক,রাজনৈতি ক,অর্থনৈতিক,পারিবারিক ও পারিপার্শ্বিক প্রতিটা
ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যের ধ্বংস স্তূপের মধ্য থেকে জন্ম হয়েছিল নতুন এক সামগ্রিক বাস্তবতার।বণিকদের ছলনা
নির্ভর কুট কৌশলী যুদ্ধ জয়ের পর উপমহাদেশে মুসলমানদের রাজত্যের অবসান ঘটে ইংরেজদের হাতেই।
সংগত কারণে মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ইংরেজ সম্পর্কিত তীব্র ঘৃণা ও বিদ্বেষের উদ্রেক ঘটে। ইংরেজদের ক্ষমতা গ্রহণের পর বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের বাস্তবতায় ইংরেজি শিক্ষা সংস্কৃতি আচার আচারণ সহ নানা বিষয়ের অনুপ্রবেশ ঘটে ভারতীয় জীবনাচরণে। ইংরেজদের প্রতি মুসলমানদের বিদ্বেষের কারণে মুসলমান গণ ইংরেজি শিক্ষা বর্জন করা সহ ইংরেজদের সাথে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করে অন্যদিকে হিন্দু সম্প্রদায় ভুক্ত জনগোষ্ঠী ইংরেজদের সাথে সহযোগিতা পূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলে।ফলে শিক্ষা দীক্ষা, চাকুরি,ব্যাবসা,জমিদারি সহ সব দিক দিয়ে তারা
মুসলমানদের চেয়ে এগিয়ে যায়।পরবর্তীতে যখন মুসলমানগণ তাদের ভুল বুঝতে পারে তখন অনেক দেরি
হয়ে যায়,তার পরও তারা ইংরেজ ও হিন্দুদের সাথে চলতে চেষ্টা করতে থাকে।দীর্ঘ ২০০ বছরের শোষণে
ভারতীয় জাতি সত্ত্বা একদিকে যেমন অনেক কিছু হারিয়েছে তাদের প্রাপ্তি ও নেহায়েত কম ছিল না।
আধুনিক শিক্ষা দীক্ষায় তারা স্বনির্ভর হয়েছে,অধিকার সম্পর্কে হয়েছে আত্মসচেতন।তারই ফলে
শিক্ষিত নব্য ভারতীয় জাতি গোষ্ঠী হিন্দু মুসলিম সম্মিলনে গড়ে তুলেছে রাজনৈতিক সংগঠন নিখিল
ভারত কংগ্রেস।যাদের পুরোটাই ছিল মধ্যবিত্ত পরিবারের এবং বিভিন্ন শ্রেণি পেশা ভুক্ত।সংগঠন যত
বড় হয়েছে পারস্পারিক অবিশ্বাস ও সংকটও ঘনীভূত হয়েছে সময়ের সাথে সাথে।অসাম্প্রদায়িক চেতনা
প্রসূত সংগঠন স্বজনপ্রীতি ও পক্ষপাতদুষ্ট হওয়ার কারণে মুসলমানগণ কংগ্রেস থেকে বের হয়ে আলাদা ভাবে গঠন করেছে মুসলিমলীগ।১৯৪৭ সালে ইংরেজরা ভারত বর্ষ ছেড়ে যাবার প্রক্কালে উপমহাদেশের হিন্দু- মুসলিমগণ তাদের অবিশ্বাসের ফাটল জোড়া লাগাতে প্রশ্নাতীত ভাবে ব্যর্থ হয় ফলে পৃথিবীর ইতিহাস সাক্ষী হল নতুন এক বিদঘুটে তত্ত্বের যার নাম দ্বিজাতিতত্ত্ব। এই তত্ত্বের কারণে শিক্ষা, শিল্প,সংস্কৃতি,ভাষা,খাদ্যাভাস
জীবনাচরণে কোন মিল না থাকলেও শুধুমাত্র ধর্ম এক হওয়ার কারণে তৎকালীন পূর্ব বাংলা ধর্মের নতুন
পোশাক পরে পূর্বপাকিস্তান নাম ধারণ করে পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে একীভূত হলো।কিন্তু বিধিবাম ২০০
শত বছরের পরাধীনতার শৃঙ্খল মুক্ত হতে না হতেই শুরু হলো ধর্ম ভাইদের নবতর অত্যাচার।আশরাফ- আতরাফ বিভাজন,মাতৃভাষা ও তার সাহিত্য,সঙ্গীত হরণের ষড়যন্ত্র। শুরু হলো এক নায়কোচিত স্বৈরাচারী অপশাসন। ব্রিটিশ শোষণের কালে তবু এ জাতির কপালে শিক্ষা,স্বাস্থ্য, শিল্প সংস্কৃতি বিভিন্ন বিষয়ক যে প্রাপ্তি
ছিল তার তুলনা নেই।কিন্তু পাকিস্তানি অপশাসনের যুগে পরাধীন ভারত বর্ষে যা কিছু প্রাপ্তি ছিল তাও
হারাবার উপক্রম হলো।পাকিস্তানি স্বৈর শাসকগণ সবকিছুতে ইসলামিক করণের নামে ন্যায় ও সাধুতা কে
বিসর্জন দিয়ে পেশি শক্তির অপশাসন চালাতে শুরু করে। ফলে মুসলিমলীগ থেকে বেরিয়ে আওয়ামী মুলিম লীগ
যাত্রা শুরু করে বাংলার প্রান্তিক ও মধ্যবিত্তের হাত ধরে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন।জন্মের তারিখ ই বলে দেয়
আওয়ামী মুসলিম লীগ জন্মের উদ্দেশ্য।১৭৫৭ সালের ২৩ জুন যেই স্বাধীনতাকে আমরা হারিয়েছিলাম তার ২০০
বছর পর ধর্মীয় বিবেচনায় ভারত- পাকিস্তান তাদের স্ব স্ব স্বাধীন ভূ- খন্ড পেলেও বাংলার পূর্ব জনপদের
মানুষের কাছে তা অধরাই থেকে যায়।তাই দীর্ঘ কালের পরাধীনতার শৃঙ্খল মুক্ত হবার জন্য হোসেন শহীদ
সোহরাওয়ার্দী,মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ আরও অনেকের
প্রচেষ্টায় মুসলিম লীগ সরকারের অপশাসনের প্রতিবাদে ও এদেশের গরীব অসহায় বঞ্চিত মানুষের
অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করে এদেশের গণমানুষের প্রাণপ্রিয় প্রতিষ্ঠান আওয়ামী মুসলিম লীগ।
সময়ের প্রয়োজনে সমস্ত শ্রেণি পেশা ও ধর্মের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের সংগ্রামী আন্দোলন কে
বেগবান করার জন্য শুধু একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ে সীমাবদ্ধ না থেকে সব মানুষ কে এই প্রতিষ্ঠানের
গোষ্ঠী ভুক্ত করার জন্য দলীয় নাম ও গঠনতন্ত্রের সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।তখন মাওলানা
ভাসানী সহ কিছু নেতা পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর ভয়ে বা দলীয় নাম নিয়ে মতনৈক্য না হওয়ায় আওয়ামী
মুসলিম লীগ আভ্যন্তরীণ সংকটে পড়ে।তখন মাওলানা ভাসানী ন্যাপ গঠন করেন আর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব গঠন
করেন জনগণের অনন্য আস্থার সংগঠন আওয়ামীলীগ। সেই থেকে বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে আওয়ামীলীগ নব নব পথের সৃষ্টি করে পথচলা শুরু।ভাষা আন্দো লন থেকে যুক্তফন্ট।শিক্ষা আন্দোলন থেকে ৬ দফা,গণঅভ্যুত্থান থেকে মুক্তিযুদ্ধ। সবকিছুই বাংলা ও বাঙালির আস্থা ও ভালবাসার সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ
আওয়ামীলীগ এর হাত ধরেই।মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ জীবনের বলীদান আর ২ লক্ষের অধিক মা- বোনের
সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত হয় পলাশীর আম্রকাননে বাঙালির হারানো স্বাধীনতা।স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে যে চেতনার( গণতন্ত্র,অর্থনৈতিক সমাজতন্ত্র,ধর্মনিরপেক্ষতা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ) উপর ভিত্তি করে আমাদের পবিত্র সংবিধান প্রণিত হয় তার পেছনে যে সরকার ও সংগঠন একক ভূমিকা পালন করেছেন তার নাম বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ।স্বাধ ীনতা উত্তর বাংলাদেশ ছিল পাকিস্তানি শাসক
গোষ্ঠী কর্তৃক সৃষ্ট ধ্বংশ স্তূপ।ঘর বাড়ী,রাস্তা ঘাট, নগর বন্দর, ব্রিজ কালভাট,শহর-শহর তলী,উপ-শহর সব জায়গায় প্রত্যক্ষ ছিল সেই সেই নিদারুণ ধ্বংশ চিহ্ন।রাষ্ট্রীয় কোষাগার ছিল শূন্য।যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যাদের ঘর ভেঙেছে বহু কষ্টে অনেকে হয়তো তাদের ভাঙ্গা ঘর জোড়া লাগাতে পেরেছিল কিন্তু যাদের সংসার ভেঙেছে তাদের অনেকেই সংসার কে আর জোড়া লাগাতে পারেনি।যুদ্ধবিধ্বস্ত ধ্বংশস্তূপের মধ্য থেকে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে শুরু হয় নব জীবন সঞ্চার ও নব জীবন  নির্মাণের আরেক নতুন যুদ্ধ। শূন্য রাষ্ট্রীয় কোষাগার, চারিদিকে বুভুক্ষু মানুষের মুখ।নব্য সৃষ্ট স্বাধীন এ ভূ-খন্ডের প্রতি নেই উন্নত বিশ্ব ও জাতি সংঘের স্বীকৃতি ও সহয়তা।ভগ্ন রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা ও অবকাঠামো,ক্ষুর্ধার্ত মানুষের হাতে মুক্তিযুদ্ধকালে প্রাপ্ত আগ্নেয় অস্ত্র,মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য সবাই হিংস্র।এমন দুঃসময় বুঝি কোন কালে কোন জাতির জীবনে আর আসেনি।এত প্রতিকূলতার মধ্যেও সিংহ হৃদয় বঙ্গবন্ধু এতটুকু বিচলিত হননি।মন শক্ত করে সর্বাত্মক চেষ্টা করেছেন উদ্ভূত পরিস্থিতির উত্তোরণ ঘটাতে।আস্তে
আস্তে যখন বঙ্গবন্ধুর সফল নেতৃত্বগুণে ধ্বংশ স্তূপের মধ্য থেকে নব জীবনের বান বইতে শুরু করেছে।ঠিক তখনই ১৭৫৭ সাল পরবর্তী বাংলার আকাশে পুনরায় দেখা দিল ষড়যন্ত্রের অশুভ ছায়া।মীর জাফরের ন্যায় ক্ষমতালোভী খন্দকার মুসতাক,মেজর জিয়াউর রহমান ও আওয়ামীলীগের আভ্যন্তরীণ বিদ্রোহে সৃষ্ট জাসদ এবং মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত পাকিস্তানি বাহিনীর এদেশীয় দোসরদের সম্মিলিত ষড়যন্ত্রে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট
বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কে সপরিবারে হত্যা করা হয়।তার কিছু দিনের মধ্যেই হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতা কে।নেতৃত্ব শূন্য করে ফেলা হয় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে,পাল্টে ফেলা হয় মুক্তিযুদ্ধের মৌলিক চেতনা ও তার ইতিহাসকে।বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে নির্মম ভাবে নির্বাসিত করা হয় ব্ঙ্গবন্ধু’ র নিজের ও তাঁর হাতে সৃষ্ট ও প্রসারিত মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দান কারী সংগঠনের ভূমিকাকে।১৯৮১ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশে ফিরে এসে নেতৃত্বশূন্য আওয়ামীলীগ এর হাল ধরলে সেই সময়ে ও পরবর্তীকালে তাঁর কাঁধে সুযোগসন্ধানী কতিপয় বিতর্কিত ব্যাক্তি ভর করেন।এক সময় যারা প্রকাশ্যে বঙ্গবন্ধুর চামড়া দিয়ে জুতা বানিয়ে পরতে চেয়েছিলেন,যারা মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পাকিস্তানি স্বৈরশাসকের গুরুত্বপূর্ণ আমলা ছিলেন,যে ব্যক্তি বঙ্গবন্ধকেু হত্যার সময়ে সেনাবাহিনী প্রধান ছিলেন এমন অসংখ্য উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। পরবর্তীকালে আওয়ামী রাজনীতিতে প্রকৃত রাজনীতিকদের পেছনে ফেলে আওয়ামীলীগের ই কিছু নেতার সহয়তায় দল ও সরকারে অনুপ্রবেশ ঘটে সামরিক- বেসামরিক আমলা,দুর্নীতি গ্রস্থ ব্যবসায়ীমহল যাদের কাছে রাজনীতি হলো কর্পোরেট ব্যবসার একটি অংশ।  জনগণ ও জন সম্পৃকততা তাদের কাছে মূল্যহীন। প্রকৃত প্রান্তিক মানুষ ও মধ্যবিত্তের কাছ থেকে রাজনীতি এভাবেই দিন দিন হাতছাড়া হয়ে চলেছে,যা আজও বিদ্যমান।জাতীয় সংসদের দিকে তাকালে আজ দেখা যায় সংসদ সদস্যদের শতকরা ৬০ ভাগ ব্যবসায়ী,২০ ভাগ আমলা,৫ ভাগ সংরক্ষিত নারী আর মধ্যবিত্ত রাজনীতিক তা কোথায়?বঙ্গবন্ধুর দূরদৃষ্টিসম্পন্ন রাজনৈতিক প্রজ্ঞা দ্বারা একটি শিশু রাষ্ট্রকে স্বনির্ভর করার অসমাপ্ত কর্মসূচির বাস্তবায়ন আজও আওয়ামীলীগের কর্ম তালিকার মৌলিক আদর্শ।ইতোমধ্যে আওয়ামীলীগ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে কাঙ্খিত সাফল্য অর্জনে সক্ষম হয়েছে এবং বর্তমান বিশ্বে তার সম্মান জনক অবস্থান নিশ্চত করেছে।কিন্তু সংগঠনকে মধ্যবিত্তের নাগালে আনতে পারেনি।কারণে অকারণে বাম নির্ভরতা আওয়ামীলীগের আজকের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ও ভবিষ্যতে অঘটনের আশাঙ্কার কারণ।আজও পূর্বের ন্যায় দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে মধ্যবিত্তের সন্তানেরা পড়াশুনা ও রাজনীতির সঙ্গ সম্পৃক্ত।আজও স্বাধীনতা যুদ্ধে রণাঙ্গনে নেতৃত্ব দানকারী রক্ত দিয়ে দেশপ্রেমের ইতিহাস লেখা সাহসী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বিজ্ঞান ভিত্তিক স্বদেশ বিনির্মাণে জননেত্রী শেখ হাসিনার আস্থার সর্বশেষ ঠিকানা। তাই আওয়ামীলীগের আসন্ন সম্মেলনে বাম,সামরিক- বেসামরিক আমলা,হাইব্রিড কর্পোরেট ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে রাজপথের সংকীর্ণ ও বন্ধুর পথ থেকে বেড়ে ওঠা মধ্যবিত্তের সাহসী সন্তানদের মূল্যায়ন করে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রবীণ ও তেজদীপ্ত পরীক্ষিত নবীনদের যৌথ সম্মিলনে এক তর্কহীন সামর্থ্যবান কমিটি উপহার দিবে আওয়ামীলীগের ২০ তম সম্মেলনে এটাই প্রত্যাশা।

আপনার মতামত লিখুন

সিলেট বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ