শনিবার-২৩শে মার্চ, ২০১৯ ইং-৯ই চৈত্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ১২:২৪
আজ আমাকে শাকিব খান বানিয়েছে চলচ্চিত্রই বেড়াতে গিয়ে আর ফেরা হলো না সালামের শনিবার ভিপি হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন নুর হিলিতে গরুমোটাতাজাকরন ট্যাবলেটসহ বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী উদ্ধার করেছে বিজিবি চলতি বছরে চালু হবে কড়িডোর এক্সপ্রেস ও পুনরায় চালু হবে বাংলাদেশ-ভারত রেল যোগাযোগ –রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম ডোমারে গোমনাতীতে ৩দিন ব্যাপী তাফসিরুল কোরআন মাহফিল সমাপ্ত। সৈয়দপুরে গরীব চিকিৎসা সেবা সংস্থার উদ্যোগে ১ হাজার রোগীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

৫০০ গৃহিণীর কর্মসংস্থান করেছেন জাহাঙ্গীর

আইসক্রিম ও দইয়ের কাঠিতে দিনবদল

3 months ago , বিভাগ : অর্থনীতি,

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: দইয়ের কাঠি ও চামচ তৈরির কারখানা করে উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিত হলেন জাহাঙ্গীর হোসেন। নিজের প্রতিষ্ঠানের নাম দিলেন মাহি স্টিক অ্যান্ড স্পুন প্রডাক্টস। কারখানায় উৎপাদিত আইসক্রিমের কাঠি ও দইয়ের চামচ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে।

বর্তমানে তাঁর সঙ্গে কাজ করছেন ৫০০ র বেশি শ্রমিক। জাহাঙ্গীর জানান, ২০০৯ সালে শুরুর সময় ৯ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে এই কারখানা গড়ে তোলা হয়। শুরুতে পণ্য উৎপাদনে মেশিন ছিল মাত্র পাঁচটি। বর্তমানে তাঁর দুটি কারখানায় ১৫টি মেশিনে কাঠি ও চামচ উৎপাদন হচ্ছে। এগুলো তৈরিতে শ্রমিক আছে ৭০ জন। শ্রমিকদের প্রতি মাসে পাঁচ লাখ ৬০ হাজার টাকা বেতন দিতে হয়। এ ছাড়া ৩০০ পরিবারের গৃহিণীসহ প্রায় ৫০০ জন কাঠি ও চামচের আঁটি বাঁধার কাজ করেন। তাঁরা আঁটি বাঁধার ওপর পারিশ্রমিক পান। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হিসেবে তিনি চীন থেকে অটো মেশিন এনে এ ব্যবসার পরিসর বাড়াতে চান।

সরেজমিন ইমাননগর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় পরিবারেই গৃহিণীরা বাড়ির বারান্দা ও আঙিনায় বসে আইসক্রিমের কাঠি ও দইয়ের চামচের আঁটি বাঁধার কাজ করছেন। বাড়ির আঙিনায় আইসক্রিমের কাঠির আঁটি বাঁধার সময় কথা হয় ইমাননগর গ্রামের খাদিজা বেগমের সঙ্গে। তিনি বলেন, আট বছর ধরে এ কাজ করছেন। সাড়ে ৮ থেকে ৯০০ কাঠির একটি আঁটি বাঁধতে পারলে দুই টাকা পাওয়া যায়। সংসারের কাজের ফাঁকে প্রতিদিন ৩৫ থেকে ৪০টি আঁটি বাঁধা যায়।

প্রতিদিন কারখানায় শ্রমিকরা নরম কাঠ মেশিনে কেটে আইসক্রিমের কাঠি ও দইয়ের চামচ তৈরি করে। রোদে শুকিয়ে ফিনিশিং মেশিনে দিয়ে এ কাঠি ও চামচ ঝকঝকে করা হয়। এরপর কাঠি ও চামচ বস্তাবন্দি (ডোব) করে উপজেলার ইমাননগর ও পার্শ্ববর্তী মুজগুন্নি গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে আঁটি বেঁধে প্যাকেটজাত করার জন্য পৌঁছে দেওয়া হয়। এভাবে আঁটি বেঁধে প্যাকেট করে নারী-পুরুষ ও শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ১০০ থেকে ২০০ টাকা আয় করে থাকেন।

ইমাননগর গ্রামে ফিনিশিং ম্যাশিনে কাজ করার সময় তাসলিমা খাতুন জানান, তিনি পাঁচ বছর ধরে ওখানে হাজিরা হিসেবে কাজ করছেন। হাজিরাপ্রতি ১৬০ টাকা পান। ফিনিশিং মেশিনের পাশের খোলা মাঠে রোদে কাঠি শুকানোর শ্রমিক আব্বাস আলী ও আব্দুল জলিল জানান, তিনি ৯ বছর ধরে সেখানে কাজ করছেন। তাঁরা হাজিরা হিসেবে ২০০ টাকা পান।

মাহি স্টিক অ্যান্ড স্পুন প্রডাক্টসের মালিক জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, তিনি একসময় আবুল খায়ের গ্রুপের মার্কেটিং বিভাগে কাজ করতেন। ওই সময় তিনি উপলব্ধি করেন গ্রামে কিছু একটা করার।সূত্র: কালের কন্ঠ

আপনার মতামত লিখুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ