শুক্রবার,২৪শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং,১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ৪:১৭
হবিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ২০১৯ সালের মধ্যে ১শ’ কারিগরি স্কুল-কলেজ হচ্ছে পার্বতীপুরে মধ্যপাড়া পাথর খনির ২৫ শ্রমিক পুরস্কৃত আক্রোশের বলি কোমলমতি পরীার্থীরা হবিগঞ্জে মাইক্রোবাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ৩ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সাথে পরিবহন শ্রমিকদের সংঘর্ষে ৪ জন আহত তুচ্ছ ঘটনায় দিনাজপুরে ২টি বাসে আগুন ॥ সমঝোতা বৈঠক সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ ॥ অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট ॥ চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ ফুলবাড়ীতে আন্ত : সম্পর্ক উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত

অর্থ পাচার মামলায় তারেক রহমানের ৭ বছর কারাদণ্ড

tarek_22319   মুক্তিনিউজ ২৪.কম ডেস্ক:    অর্থ পাচার মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে। মামলার অপর আসামি গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের বিচারিক আদালতে দেয়া ৭ বছরের কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে। মামলায় তারেক ও মামুনকে ২০ কোটি টাকা করে জরিমানার আদেশ দিয়েছে আদালত।
মুদ্রাপাচার মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা আপিলের শুনানি করে আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করে।
ঘুষ হিসেবে আদায়ের পর ২০ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগে করা মামলার রায়ে ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ মো. মোতাহার হোসেন ২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস দিয়েছিলেন। আর গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে দেয়া হয়েছিল ৭ বছর কারাদণ্ড এবং ৪০ কোটি টাকা জরিমানা।
খালেদা জিয়ার ছেলে বিএনপির জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক বিভিন্ন মামলা মাথায় নিয়ে ২০০৮ সাল থেকে যুক্তরাজ্যে রয়েছেন। শেখ হাসিনা হত্যাচেষ্টাসহ আরও দুর্নীতি, রাষ্ট্রদ্রোহ ও মানহানির অভিযোগে কয়েক ডজন মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
আর জরুরি অবস্থার মধ্যে ২০০৭ সালে গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে গিয়াসউদ্দিন আল মামুন কারাগারেই আছেন।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোও মুদ্রা পাচারের আরেকটি মামলায় দণ্ডিত হয়েছিলেন। কারাদণ্ডাদেশ মাথায় নিয়ে বিদেশে অবস্থানরত অবস্থায় গতবছর তার মৃত্যু হয়।
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানায় ২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর দায়ের করা এ মামলায় তারেক-মামুনের বিচার শুরু হয় ২০১১ সালের ৬ জুলাই। মামলায় অভিযোগ করা হয়, টঙ্গীতে প্রস্তাবিত ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কাজ নির্মাণ কনস্ট্রাকশনস নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে পাইয়ে দেয়ার আশ্বাস দিয়ে ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ঘুষ নেন মামুন।
২০০৩ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পন্থায় ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা সিঙ্গাপুরের সিটি ব্যাংকে মামুনের হিসাবে পাচার করা হয়, যার মধ্যে ৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকা তারেক খরচ করেন বলে অভিযোগপত্রে বলা হয়।
জজ আদালতের রায়ে বলা হয়, ওই টাকা খরচ করার কথা তারেক রহমান অস্বীকার করেননি। ২০০৭ সালে দুদকে দাখিল করা তারেকের হিসাব বিবরণীতে তার উল্লেখ রয়ছে। তিনি যে মানি লন্ডারিং আইনে অপরাধ করেছেন তা প্রমাণ হয়নি।
তারেকের রায়ের বিরুদ্ধে দুদক ওই বছর ৫ ডিসেম্বর আপিলের আবেদন করে। শুনানি শেষে ২০১৪ সালের ১৯ জানুয়ারি হাই কোর্ট দুদকের আপিল গ্রহণ করে আসামি তারেককে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেয়। পরে তাকে পলাতক দেখিয়েই আপিল শুনানি চলে। মামলাটি দায়ের থেকে শুরু করে পুরো বিচার প্রক্রিয়াই অনুপস্থিত ছিলেন তারেক।এবিনিউজ
আপনার মতামত লিখুন

আইন ও আদালত বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ